এটি একটি ছেলে আর ওর ভালবাসার গল্প।

ব্যাস, এই এক লাইন পড়েই আপনি ভাবছেন আবার সেই এক বস্তাপচা ব্যাপার। ছেলেটির মেয়েটার সাথে দেখা হল, প্রথম দেখাতেই ভালবাসা, মাঝে একটু ভুল বোঝাবুঝি, ওরপর মিল আর তারপর সুখি সমাপন।

কি? এইতো?

আজ্ঞে না। এই গল্প একটু আলাদা।

রিচিককে রীতিমতো টানতে টানতে ক্লাস থেকে বের করে সুমনা বলল, “চল আজ ক্লাস কেটে নন্দন যাই, অনির্বাণের নতুন একটা সিনেমা এসেছে।

– তুই অনির্বাণকে দেখে প্রেমে হাবুডুবু খাবি আর সেটা আমাকে পাশে বসে দেখার জন্যে ক্লাস বাদ দিতে হবে, এটা কি ধরনের কথা?

– কেন? বেশ ভাল ধরনের কথা!

– মানে?

– মানে যখন চোখের সামনে ওকে না পাওয়ার দুঃখে হাপিত্যেশ করব তখন অন্ধকার হলে তোকে দিয়েই তো দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাবো।

– বুঝলাম। তো মোদ্দা কথায় তোর ব্যাকআপ প্ল্যান হিসেবে কাজ করার জন্যে আমাকে এলএম ম্যাম এর জেনেটিক্স ক্লাস বাদ দিতে হবে।

– ঠিক।

-পারছি না। আমি চললাম, ম্যাম এসে পরবে এক্ষুনি।

– আচ্ছা আচ্ছা সরি। প্লিজ চল, অনেকদিন একসাথে সিনেমা দেখা হয় না দুজনের।

– বদলে আমি কি পাব?

– আমার লিপস্টিক তোর ঠোঁটে চালান করে দেবো মাঝে মাঝে।

– সুমনা দয়া করে আর কখনও বলিস না এটা, একইসাথে বড্ড ভয়ানক আর ভুল শোনালো ।

সুমনা হাসতে হাসতে রিচিকের বুকে মাথা ঘোষল।

-ছাড়, ব্যাগটা নিয়ে আসতে দে।

এতটা পড়ে কি মনে হল, যে রিচিক আর সুমনা কলেজে পড়া দুটি ছেলে মেয়ে, এদেরকে নিয়ে বেশ একটা দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের গল্প ফেঁদেছি।

ভুল কিছু ভাবেননি অবশ্য। তবে পুরোটা সত্যিও না। যাই হোক, এবার একটু শুরুর দিকে যাওয়া যাক।

রিচিক ভট্টাচার্য, আশুতোষ কলেজের জুলজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র, আর তার ঠিক পাশের ঘরের সুমনা মিত্র, বটানির ছাত্রী। দুজনের আলাপ ওই ঘরেই। রিচিক যখন দ্বিতীয় বর্ষে একদিন বটানি ডিপার্টমেন্টে প্র্যাকটিকাল খাতা সই করাতে গিয়ে ফিরে আসতে নেয়, চাপা একটা চিৎকারের আওয়াজে পাশের ল্যাবে ঢুকে দ্যাখে একা একটা মেয়ে ব্লেড হাতে সেকশান কাটতে গিয়ে রক্তারক্তি করে ফেলেছে। রিচিককে আসতে দেখে তাড়াতাড়ি রক্ত মোছার বৃথা চেষ্টা করে আবার সেকশান কাটতে শুরু করে।

রিচিক এক মুহূর্তের জন্যে থমকে দাঁড়ালো, তারপর এগিয়ে এসে বলল, “কিছু যদি মনে না করো, আমার মনে হয়ে তোমার আঙ্গুলের ওখানটায় কিছু একটা চেপে ধরলে ব্লিডিংটা বন্ধ হবে।“ বলে সে নিজের রুমাল এগিয়ে দেয়।

মেয়েটি কিছু বলতে গিয়েও না বলে হাত বাড়িয়ে রুমালটা নিয়ে কাটা জায়গায় চেপে ধরে বলল, “ধন্যবাদ।“

– আরে কোন ব্যাপার না।

– তোমাকে তো ডিপার্টমেন্টে আগে কখনও দেখিনি।

– আমি জুলজি তে।

– ওহ

– আজ অমিতাভ স্যারকে দিয়ে একটা সই করানোর ছিল তাই আসা।

– স্যার তো একটু বেরিয়েছেন। তবে এসে পড়বেন এখনি।

– অপেক্ষা করে দেখি কিছুক্ষন।

– ব্লিডিংটা এবার থেমে গিয়েছে, দাঁড়াও ধুয়ে দি তোমার রুমালটা।

– তার দরকার পরবে না, মনে হচ্ছে স্যার এসে পড়েছেন। আমি আসছি

বলেই রুমালটা হাত থেকে নিয়ে বেরিয়ে যেতে যেতে ঘুরে বলল, “ সরি ভুলেই গিয়েছিলাম, আমি রিচিক।“

– আমি সুমনা আর থ্যাংক ইউ।

আর এভাবেই ওদের প্রথম আলাপ।

– ওফ তোর সাথে কোথাও বেরোলেই আমার কেটে ছড়ে যায় যে কি করে কে জানে?

– এতে আমার সাথে বেরনোর কি সম্পর্ক?

– কি আজব ব্যাপার তাই না! আর কোন সম্পর্ক আছে সেটা আমি হলফ করে বলছি না।

– আজ আবার কোথায় কি হল?

– এই দ্যাখ না কনুই এর এখানটা সিটের হাতলে লেগে কেটে গিয়েছে।

– কই দেখি।

বলে রিচিক ওর কনুইটা টেনে নিল। কাটা জায়গাতে হাত বুলিয়ে একটা চুমু খেল সেখানে। ওরা এখন সিনেমা দেখে বেরিয়ে মোহোরকুঞ্জে এসে বসেছে।

– হয়েছে এখন এত প্রেম দেখাতে হবে না। হলে বসে তো ঠিক করে একটা চুমুও খেলি না।

– ঠিক আছে, তার ক্ষতিপূরণ এখন দিচ্ছি নাহয়।

– না থাক চাই না এখানে। চারপাশে সবার যা চলছে তা দেখে আমার পেট ভরে গিয়েছে। আর ভাল লাগছে না এখানে, প্লিজ চল অন্য কোথাও।

রিচিকও চারপাশে চোখ বুলিয়ে বুঝতে পারল এখানে সবার প্রেমের যা তীব্রতা তাতে দুদণ্ড শান্তিতে কথা বলাটা সত্যি অস্বস্তিকর।

“কাল মা বাবা কিছুদিনের জন্যে মাসির বাড়ি যাচ্ছে“, ময়দানের পাশ দিয়ে সুমনার হাত ধরে হাটতে হাটতে রিচিক বলল, “কাজেই এই কদিন বাড়িতে আমি একা।“

– তোর খাওয়ার অসুবিধে হবে না তাতে?

– সে রান্নার দিদি সকালে রেঁধে দিয়ে যাবে। ওই নিয়ে চিন্তা নেই।

– ওহ, তাহলে ঠিক আছে।

– তো বলছিলাম যে…

– কি?

– কাল আয় আমার বাড়ি।

– কেন? কি আছে?

– না মানে এমনি

– এমনি এমনি গিয়ে কি লাভ!

– কাল আসলে তাহলে আজকের ক্ষতিপূরণটা দিয়ে দিতে পারতাম এক ফাঁকে। সুদে আসলে।

“তাই বুঝি!” ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি দেখা গেল সুমনার। 

– একদম

– বেশ তাহলে কখন আসব?

– আয় তোর সুবিধে মত দুপুরের দিকে।

হাটতে হাটতে সুমনা রিচিকের হাতটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আরো গাঢ় হল। রিচিক আলতো করে সুমনার কপালে নিজের ঠোঁট দুটো ছোঁয়াল। পেছনে শীতের বিকেলের সূর্যটাও ভিক্টোরিয়ার পরীর ফাঁক দিয়ে ওদের ভালবাসা দেখে রাঙা হয়ে উঠছিল ধীরে ধীরে।


Liking this story? Become a patron for more!

Become a Patron!


ওদের প্রথম আলাপের পর থেকে রিচিক প্রায়ই দাঁড়িয়ে থাকতো বটানি ডিপার্টমেন্টের বাইরে কোন না কোন বাহানায়, সুমনার সাথে দেখা করার জন্যে। আজ প্র্যাকটিকাল খাতা নেওয়া তো কাল কোন টপিক বুঝিয়ে দেওয়ার আছিলায়। আর এই করতে করতে ধীরে ধীরে আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে ওরা। তারপর সেবার সরস্বতী পুজোয় রিচিক প্রেম নিবেদনটা করেই ফেলে। সুমনাও ওর প্রতি দুর্বল হয়ে পরেছিল এর মধ্যে। কাজেই দুজনের ভালোলাগাটা প্রেমে পরিণত হতে বেশি সময় নেয়নি।

রিচিক এইসবই ভাবছিল নিজের ঘরে বসে। এমন সময় ডোরবেলটা বেজে ওঠায় সেই ভাবনায় ছেদ পড়ল। উঠে গিয়ে দরজা খুলে দ্যাখে সুমনা দাঁড়িয়ে আছে। একটা হলুদ সালোয়ার কামিজ পড়ে এসছে আজ। পেছন থেকে হালকা মিঠে রোদ এসে পড়ছে ওর ওপর। মুহূর্তের জন্যে রিচিকের কাছে অপার্থিব সুন্দর লাগছিল সুমনা।

– ডেকে এনে এইভাবেই বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখবি?

“আয় ভেতরে”, ঘোর কেটে গেলে বলল রিচিক,” আসতে কোন অসুবিধে হয়নি তো?”

– না আগের বার যখন এসেছিলাম গলি গুলো কিছু কিছু চিনে রেখেছিলাম তখন।

– বাহ। দিন দিন বুদ্ধি তো বেশ খোলতাই হচ্ছে দেখছি আমার সাথে থেকে থেকে।

– আমার তো মনে হয় তার ঠিক উলটোটাই হচ্ছে।

– আমার ঘরে চল।

ঘরে এসে জানলা আটকে দিয়ে, সুমনার হাতে একটা জলের বোতল দিয়ে রিচিক বলল,

– গান চালাই নাকি।

– নিজের বাড়িতেও তুই আমাকে জিজ্ঞেস করে গান চালাবি?

– অবশ্যই। তোর আবার গানের বিষয়ে যা খুতখুতানি। আর তাছাড়াও মুড সেটের একটা ব্যাপার আছে তো নাকি!

– আমার মোটেও ওরকম কোন খুতখুতানি নেই। আর বলছি আমার কালকের ক্ষতিপূরণটা?

হালকা আওয়াজে চন্দ্রবিন্দু চালাতে চালাতে রিচিক বলল, “সেটা দেবো বলেই তো ডেকেছি।“

বলেই সুমনাকে কাছে টেনে ওর ঠোঁটে নিজের ঠোঁট দুটো ডুবিয়ে দিল। একটু একটু করে ওদের মন, শরীর গভীর আবেগে মিশে গেলো। এক অদ্ভুত অনুভূতি গ্রাস করল ওদের দুজনকে। আদিম খেলায় মেতে উঠলো দুজনের শরীর। 

সুমনার নগ্ন শরীরটাকে দেখল রিচিক। পরম শান্তিতে ঘুমচ্ছে মেয়েটা পাশ ফিরে। ওষুধটা তাহলে কাজ করেছে ঠিক করে বুঝল। এবারে বিছানার পাশের টেবিলের ড্রয়ারটা থেকে আস্তে করে বের করে নিল ওর খুব প্রিয় সুইস নাইফটা। সুমনার কাছে এসে ওকে নিজের দিকে পাশ ফিরিয়ে নিয়ে কপালে আলতো করে চুমু খেল। সুমনা ধীরে ধীরে চোখ খুলল, কিছু একটা বলতে যাবে কিন্তু সেই সুযোগ টুকুও পেল না , তার মধ্যেই রিচিক ওর  মুখট জোরে চেপে ধরে খুব ধীরে ধীরে ছুরি দিয়ে গলাটা চিরে দিল। ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরিয়ে রিচিকের মুখের ওপর ছিটে এল। সুমনার চোখ ফেটে জল আসছে, চিৎকার করছে কিন্তু কোন আওয়াজ বেরচ্ছে না। যন্ত্রণায় ধড়ফড় করছে পুরো শরীর, যার ওপর রিচিক চেপে বসে আছে। একটু একটু করে সব ছটফটানি থেমে গেলে বুক ভরে গন্ধটা নিল সে। ওর খুব চেনা, ভাললাগার একটা গন্ধ।

কিন্তু একি? আজ তো ভাল লাগছে না সেটা! বরং গা গুলিয়ে উঠলো, ছিটকে বিছানা থেকে পড়ে গেল। একদলা বমি উগড়ে দিল মেঝেতে।

আসুন, এবার রিচিক ভট্টাচার্যকে আরেকটু ভালোভাবে চিনে নেওয়া যাক।

ছোটবেলা থেকেই রিচিক রক্তের গন্ধ খুব ভালোবাসতো। খেলতে গিয়ে যখন ওর হাত পা ছড়ে গিয়ে রক্ত বেরত তখন আর পাঁচটা ছেলে মেয়ের মত কাঁদত না ও কখনও, উলটে সেই রক্তের গন্ধ নিয়ে এক অন্যরকম আনন্দ পেত। একবার ওর মায়ের রান্নাঘরে হাত কেটে গেলে,সেই কাটা জায়গায় জড়ানো ব্যান্ডেজগুলো সব ও ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে এনে রেখে দিয়েছিল নিজের ঘরে। পরে ওর মা দেখতে পেয়ে খুব মেরেছিল কিন্তু নিজের ছেলের এই অদ্ভুত ভালোলাগার ব্যাপারটা বুঝতে পারেননি। রিচিকেরও এতে রক্তের ঘ্রানের প্রতি ভালবাসা কমেনি উলটে বেড়েই গিয়েছিল। 

রিচিকের যখন পনের বছর বয়স সেবার ওর মামা ওকে ওই দামি সুইস নাইফটা উপহার দেন। সেই দিয়েই ও প্রথমবার টাটকা রক্তের গন্ধ পায়, বাড়ির পোষা কাকাতুয়াটাকে মেরে। সময়ের সাথে সাথে এরকমভাবেই নিজের টান মেটাত কখনও ছোটখাটো পশু পাখি মেরে তো কখনও নিজের ওপরে কাটা ছেঁড়া চালিয়ে।

কিন্তু এইভাবে বেশি দিন চলেনি। কিছুদিন রক্তের গন্ধ না পেলেই অস্থির অস্থির মনে হত। এরপরেই মাথায় এল খুব সহজ একটা উপায় যেটা এতদিন ভেবেই দেখেনি। 

তারপর থেকেই রিচিকের বাজারে যাওয়া বেড়ে গেল। প্রায় প্রতিদিনই বাজারে গিয়ে মাছ মাংসের দোকানের সামনে কাটিয়ে দিত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এক দোকান থেকে আরেক দোকান, এক বাজার থেকে অন্য বাজার, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চলত। তারিয়ে তারিয়ে গন্ধ উপভোগ করত। 

দিব্যি চলছিল এইভাবে।এরপর স্কুলের গণ্ডি পেড়িয়ে কলেজে এল। বিষয় হিসেবে নিল প্রাণীবিদ্যা যাতে কাঁটা ছেঁড়াটা চালিয়ে যেতে পারে পড়াশুনোর সাথেই।

হঠাৎ কোন এক দৈবযোগে সেদিন দেখা পেল সুমনার, বলা ভালো ওর রক্তের ঘ্রান পেল। মুহূর্তের মধ্যে এক অদম্য দুর্নিবার আকর্ষণে ভরে গেলো ওর মন। সুমনার রক্তের গন্ধ পাগল করে দিল ওকে। যে রুমালটা সুমনাকে দিয়েছিল সেদিন রক্ত থামানোর জন্যে, সেটা ওদিন সারারাত শুঁকে দেখেছে। প্রান ভরে নিয়েছে সেই দুর্মোঘ ঘ্রাণ। এরপরেই এক জেদ চেপে বসে রিচিকের মনে। সুমনার রক্তের গন্ধ চাই ওর।

কালচক্রে সম্পর্কে জড়িয়েও পরে ওরা। আর তারপর থেকেই কোন না কোন ভাবে অত্যন্ত সুক্ষতার সাথে কাঁটা ছেঁড়া চালাতো সুমনার ওপর ওর অজ্ঞাতে, কখনও নখের আঁচর কখনও সেফটিপিন বা সুঁচের আলতো খোঁচা। সুমনার এক ফোঁটা রক্তের গন্ধই যথেষ্ট ছিল।

 কালও সেরকম ভাবেই সিনেমার মাঝে সুমনা যখন রেস্টরুমে যায়, সেই ফাঁকে ওর চেয়ারের হাতলের এক পাশের টিনের একটা ভাঙা মত পাত এমন ভাবে বাঁকিয়ে দেয় যাতে করে হাত রাখতে গেলে কেটে যাবেই।

কিন্তু কদিন ধরেই এক ফোঁটা করে গন্ধে তৃপ্তি হচ্ছিলো না রিচিকের। পাগলামোটা বাড়ছিল দিন দিন। সুমনার টাটকা রক্তের গন্ধ পাওয়ার জন্যে অধৈর্য হয়ে পড়ছিল। সেই কারনেই মা বাবা মাসির বাড়ি চলে যাওয়ায় সুযোগটা আর হাতছাড়া করেনি। ডেকে নেয়  সুমনাকে বাড়িতে, সমস্ত গন্ধটা একবারে পাবার জন্যে।

সেইমত সব ব্যবস্থা করে রেখেছিল, জলের বোতলে ঘুমের ওষুধ, ড্রয়ারে ছুরিটা, সব ঠিক ঠাক ছিল।

কিন্তু কি হল আজ? এরকম কেন হল? এত ভালবাসার, ভালোলাগার গন্ধটা কেন এতটা অস্বস্তিকর, বীভৎস লাগল নিজের কাছেই? ঘিনঘিনিয়ে উঠলো পুরো শরীর। এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না।

সুমনার নিথর দেহটার দিকে তাকিয়ে বুকফাটা চিৎকার বেরিয়ে এল রিচিকের মুখ দিয়ে। 

তারপর ধীরে ধীরে বালিশের পাশে পরে থাকা ফোনটা তুলে নিয়ে একটা নাম্বার ডায়াল করল।

“হ্যালো, পুলিশ স্টেশন…”


অন্যান্যঃ দু-মুঠো দিনের ঝড়


 

Share This Story
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *